Skip to content
Dr. Sayan Banerjee

শিশু ও কৈশোরের হরমোন বিশেষজ্ঞ

বেড়ে ওঠা অনেকটা সময়ের ব্যাপার, গোটা পথটাতেই পাশে থাকতে চাই

ডাঃ সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। MBBS, MD (পেডিয়াট্রিক্স), DM (পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রিনোলজি)। শিশুদের হরমোন-সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে কাজ করি: উচ্চতা, থাইরয়েড, ডায়াবিটিস, বয়ঃসন্ধি, হাড় ও ওজন।

ডাঃ সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়

DM

পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রিনোলজি, PGIMER চণ্ডীগড়

MD

শিশুরোগ, আর. জি. কর মেডিক্যাল কলেজ, কলকাতা

ফেলোশিপ

পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রিনোলজি, রিজেন্সি CDER, কানপুর

০–১৮

সদ্যোজাত থেকে কৈশোর পর্যন্ত

কী নিয়ে কাজ

শিশুর শরীরে যে গ্রন্থিগুলো নিঃশব্দে সব ঠিক রাখে

  • উচ্চতা ও শারীরিক বৃদ্ধি

    বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম, বছরে বৃদ্ধি কমে যাওয়া, গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি, টার্নার সিনড্রোম, জন্মের সময় ওজন কম থাকার পর ঠিকমতো না বাড়া।

  • শিশুদের ডায়াবিটিস

    টাইপ ১ ডায়াবিটিস, কিশোর বয়সে টাইপ ২, ইনসুলিন পাম্প ও CGM চালু করা, স্কুলের জন্য লিখিত প্ল্যান, অসুস্থ দিনের নিয়ম।

  • থাইরয়েড

    জন্মগত হাইপোথাইরয়েডিজম, হাশিমোটো থাইরয়েডাইটিস, থাইরয়েড বেড়ে যাওয়া, গলার সামনে ফোলা বা গিঁট।

  • বয়ঃসন্ধি

    সময়ের অনেক আগে বা অনেক দেরিতে পিউবার্টি, PCOS, অনিয়মিত বা বন্ধ পিরিয়ড, ছেলেদের বুকে মাংস বেড়ে যাওয়া।

  • ওজন ও মেটাবলিক সমস্যা

    শিশু-কিশোরদের ওবেসিটি, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ঘাড়ে-বগলে কালো ছোপ, ফ্যাটি লিভার, কোলেস্টেরল বেশি থাকা।

  • হাড়, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি

    রিকেট, পায়ে বেঁকে যাওয়া, সহজে হাড় ভাঙা, রক্তে ক্যালসিয়াম কম বা বেশি, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি।

  • অ্যাড্রিনাল ও পিটুইটারি

    কনজেনিটাল অ্যাড্রিনাল হাইপারপ্লেসিয়া (CAH), অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি, কুশিং সিনড্রোম, পিটুইটারি গ্রন্থির সমস্যা।

  • নবজাতক ও জিনগত সমস্যা

    সদ্যোজাতর হরমোন সমস্যা, জন্মের সময় লিঙ্গ নির্ধারণে অস্পষ্টতা, অণ্ডকোষ না নামা। ধৈর্য ধরে, গোপনীয়তা রেখে দেখা হয়।

দেখে নিন

সহজ বাংলায়...

টাইপ ১ ডায়াবিটিসের প্রাথমিক লক্ষণ আর বাড়িতে কী করণীয়, বাংলায়।

বাকি ভিডিও ও সংবাদমাধ্যম

বাচ্চাদের ডায়াবেটিসের লক্ষণ ও চিকিৎসা | বাচ্চাদের ডায়াবেটিস হলে কী করণীয়?

Health Inside | বাংলা

শেয়ার করুন

কখন দেখানো দরকার

এগুলোর একটাও থাকলে দেরি করবেন না

হরমোনের সমস্যা সাধারণত হঠাৎ ধরা পড়ে না, ধীরে ধীরে বোঝা যায়। তাই সময়ে দেখানোটাই সবচেয়ে বড় কাজ।

  • সমবয়সীদের তুলনায় বাচ্চা স্পষ্টভাবে খাটো, বা এক বছরে উচ্চতা প্রায় বাড়েনি
  • মেয়েদের ৮ বছরের আগে বা ছেলেদের ৯ বছরের আগে বয়ঃসন্ধির লক্ষণ
  • ১৩–১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বয়ঃসন্ধি শুরু হয়নি
  • বারবার জল তেষ্টা, ঘন ঘন প্রস্রাব, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, খুব ক্লান্তি
  • গলার সামনে ফোলা বা শক্ত গিঁট
  • অস্বাভাবিক দ্রুত ওজন বাড়া, সঙ্গে ঘাড়ে বা বগলে কালো ছোপ

প্রথম দিন

চেম্বারে ঠিক কী কী হয়

  1. আসার আগে

    ইমিউনাইজেশন কার্ড, পুরনো সব প্রেসক্রিপশন আর রিপোর্ট, আর সবচেয়ে দরকারি জিনিসটা হল বাচ্চার আগের উচ্চতা ও ওজনের যে কোনও হিসেব। স্কুলের রেকর্ডও চলবে।

  2. মাপজোক

    দেওয়ালে লাগানো স্ট্যাডিওমিটারে উচ্চতা, ওজন, আর দরকার হলে বসা অবস্থায় উচ্চতা ও হাতের বিস্তার। মিলিমিটারও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হিসেবটা বছরের পর বছরের।

  3. কথাবার্তা

    গর্ভাবস্থা ও জন্ম, বেড়ে ওঠার ধাপ, বাড়ির লোকের উচ্চতা, খাওয়া, ঘুম, স্কুল, আর আপনার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তাটা কী। বাচ্চার সঙ্গেও কথা বলা হয়, শুধু তাকে নিয়ে নয়।

  4. পরীক্ষা ও গ্রোথ চার্ট

    যত্ন করে শারীরিক পরীক্ষা, তারপর স্ক্রিনে একসঙ্গে গ্রোথ চার্টে দাগ কাটা। ডাক্তার যা দেখছেন, আপনিও ঠিক সেটাই দেখবেন।

  5. পরিকল্পনা

    আমাদের কী মনে হচ্ছে, কোন পরীক্ষায় উত্তর মিলবে, তাতে কী করতে হবে, আর কবে আবার আসতে হবে। সবটাই বেরোনোর আগে লিখে দেওয়া হয়।

কী কী সঙ্গে আনবেন

  • বাচ্চার আগের সব উচ্চতা ও ওজনের হিসেব
  • পুরনো সব রিপোর্ট, তারিখ অনুযায়ী সাজানো
  • এখন যা যা ওষুধ চলছে, কৌটো-সহ
  • বাবা ও মা দু'জনেরই উচ্চতা, সম্ভব হলে মেপে
  • জন্মের সময়ের ওজন ও কত সপ্তাহে জন্ম
  • আপনার প্রশ্নগুলো, লিখে আনা

কোথায় পাবেন

কলকাতায় নিয়মিত, জেলায় মাসে একবার

নিওটিয়া ভাগীরথী ওমেন অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার

পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ, অ্যাকশন এরিয়া ১ডি, নিউ টাউন, কলকাতা ৭০০ ১৫৬

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আসতে হয়। সময় জানতে হাসপাতালে ফোন করুন।

নিউ টাউন, কলকাতা ৭০০ ১৫৬রাস্তা দেখুন

নীচের কেন্দ্রগুলোয় মাসে একদিন করে বসা হয়। তারিখ প্রতি মাসে বদলায়, তাই রওনা দেওয়ার আগে কেন্দ্রে ফোন করে দিন ঠিক করে নেবেন।

যোগাযোগ

প্রশ্ন থাকলে সরাসরি জিজ্ঞেস করুন

সবচেয়ে সহজ রাস্তা হোয়াটসঅ্যাপ, সেটা সরাসরি ডাক্তারবাবুর কাছেই যায়। সমস্যাটা কী, কতদিন ধরে, আর আগে কী পরীক্ষা হয়েছে, এটুকু লিখে পাঠালেই হবে। রিপোর্টের ছবিও পাঠাতে পারেন। অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিনক্ষণ কিন্তু হাসপাতালের খাতায় থাকে, তাই সময় পাকা করতে হাসপাতালে ফোন করতে হবে।

জরুরি অবস্থায়

এই ওয়েবসাইট তথ্যের জন্য, রোগ নির্ণয়ের জন্য নয়। বাচ্চা যদি ঝিমিয়ে পড়ে, দ্রুত শ্বাস নেয়, বারবার বমি করে, খিঁচুনি হয়, বা সুগার কিছুতেই নামানো না যায়, সঙ্গে সঙ্গে কাছের হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে যান।

আরও পড়ুন

বাকি ওয়েবসাইটটা ইংরেজিতে

এই পাতাটা গোটা সাইটের সংক্ষিপ্ত রূপ। বিস্তারিত লেখা, ব্লগ, ভিডিও আর গবেষণাপত্র সবই ইংরেজিতে রয়েছে।

सर्वे सन्तु निरामयाः

সবাই নীরোগ হোক।